তৃতীয় বিশ্বের সমস্ত দেশের জন্যই অভিবাসনের দরজা বন্ধ করে দিচ্ছে আমেরিকা। শুক্রবার সকালে নিজের সমাজমাধ্যমে তিনি এই ঘোষণা করেছেন। জানিয়েছেন, আমেরিকার নাগরিকদের স্বার্থ সুরক্ষিত করতে তৃতীয় বিশ্বের সব দেশের অভিবাসন তিনি বন্ধ করে দেবেন। নির্দিষ্ট করে কোনও দেশের নাম উল্লেখ করেননি ট্রাম্প। তবে একইসঙ্গে ভারতের এক পড়শি দেশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। কী ভাবে সেই দেশ থেকে নির্বিচারে অভিবাসীরা আমেরিকায় ঢুকছেন, তার ছবি দেখিয়েছেন।
হোয়াইট হাউসের বাইরে গুলি চলার ঘটনায় আমেরিকার দু’জন ন্যাশনাল গার্ডের মৃত্যু হয়েছে। অভিযুক্ত বন্দুকবাজ আফগানিস্তানের নাগরিক। নাম রহমানুল্লা লাকানওয়াল। এই ঘটনার পর থেকেই আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন ট্রাম্প। শুক্রবার একটি ছবি সমাজমাধ্যমে তিনি পোস্ট করেছেন। তাতে হাজার হাজার মানুষকে একসঙ্গে গাদাগাদি করে একটি জায়গায় বসে থাকতে দেখা গিয়েছে। ট্রাম্প জানিয়েছেন, আফগানিস্তান থেকে কাতারে কাতারে মানুষ আমেরিকায় চলে আসছেন। সেই ‘ভয়াবহ’ বিমান পরিবহণের একটা অংশ এই ছবি। তিনি লেখেন, ‘‘হাজার হাজার মানুষকে কোনও রকম তথ্য যাচাই না করেই আমাদের দেশে এ ভাবে ঢেলে দেওয়া হয়। এটা আফগানিস্তানের পরিবহণের ছবি। আমরা সমস্যার সমাধান করব। কিন্তু ভুলব না, জো বাইডেন আমাদের দেশের কী সর্বনাশ করে গিয়েছেন।’’
এর পরের একটি পোস্টে তৃতীয় বিশ্বের নাগরিকদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের কথা বলেন ট্রাম্প। লেখেন, ‘‘আমরা প্রযুক্তিগত ভাবে এত এগিয়ে গিয়েছি, কিন্তু অভিবাসন নীতি জীবনযাত্রার মান নষ্ট করেছে। আমি সমস্ত তৃতীয় বিশ্বের দেশ থেকে আমেরিকায় অভিবাসন স্থায়ী ভাবে বন্ধ করে দেব। মার্কিন ব্যবস্থাপনাকে পুরোপুরি সামলে নেওয়ার সুযোগ করে দেব। বাইডেনের আমলে যত অবৈধ অনুপ্রবেশ ঘটেছে, তা বাতিল করব। আমেরিকার জন্য যারা গুরুত্বপূর্ণ নয়, যারা আমাদের দেশকে ভালবাসতে পারে না, তাদের সরিয়ে দেব।’’ যাঁরা মার্কিন নাগরিক নন, তাঁদের সরকারি সুযোগসুবিধাও বন্ধ করে দেবেন বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। আমেরিকা থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হবে তাঁদেরও, যাঁরা পশ্চিমি সংস্কৃতির সঙ্গে মানানসই নন এবং মার্কিন নাগরিকদের নিরাপত্তা যাঁদের জন্য বিঘ্নিত হতে পারে।
তৃতীয় বিশ্বের দেশ কারা
‘তৃতীয় বিশ্বের দেশ’ শব্দগুলি বর্তমান প্রেক্ষিতে অপ্রচলিত। ঠান্ডা লড়াই চলাকালীন পুঁজিবাদী ‘প্রথম বিশ্ব’ এবং সমাজবাদী ‘দ্বিতীয় বিশ্বের’ কোনও পক্ষের সঙ্গেই যে সমস্ত দেশ হাত মেলায়নি, তাদের ‘তৃতীয় বিশ্ব’ বলা হত। তবে বর্তমানে তীব্র দারিদ্র, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তাপূর্ণ দেশগুলিকে কেউ কেউ ‘তৃতীয় বিশ্ব’ বলে উল্লেখ করেন। আফগানিস্তানের পাশাপাশি এশিয়া ও আফ্রিকার অনেক দেশ সেই তালিকায় রয়েছে। ট্রাম্পের কাদের জন্য অভিবাসন বন্ধ করতে চান, তা স্পষ্ট করেননি।
হোয়াইট হাউসের বাইরে গুলি চলার ঘটনায় আমেরিকার দু’জন ন্যাশনাল গার্ডের মৃত্যু হয়েছে। অভিযুক্ত বন্দুকবাজ আফগানিস্তানের নাগরিক। নাম রহমানুল্লা লাকানওয়াল। এই ঘটনার পর থেকেই আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন ট্রাম্প। শুক্রবার একটি ছবি সমাজমাধ্যমে তিনি পোস্ট করেছেন। তাতে হাজার হাজার মানুষকে একসঙ্গে গাদাগাদি করে একটি জায়গায় বসে থাকতে দেখা গিয়েছে। ট্রাম্প জানিয়েছেন, আফগানিস্তান থেকে কাতারে কাতারে মানুষ আমেরিকায় চলে আসছেন। সেই ‘ভয়াবহ’ বিমান পরিবহণের একটা অংশ এই ছবি। তিনি লেখেন, ‘‘হাজার হাজার মানুষকে কোনও রকম তথ্য যাচাই না করেই আমাদের দেশে এ ভাবে ঢেলে দেওয়া হয়। এটা আফগানিস্তানের পরিবহণের ছবি। আমরা সমস্যার সমাধান করব। কিন্তু ভুলব না, জো বাইডেন আমাদের দেশের কী সর্বনাশ করে গিয়েছেন।’’
এর পরের একটি পোস্টে তৃতীয় বিশ্বের নাগরিকদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের কথা বলেন ট্রাম্প। লেখেন, ‘‘আমরা প্রযুক্তিগত ভাবে এত এগিয়ে গিয়েছি, কিন্তু অভিবাসন নীতি জীবনযাত্রার মান নষ্ট করেছে। আমি সমস্ত তৃতীয় বিশ্বের দেশ থেকে আমেরিকায় অভিবাসন স্থায়ী ভাবে বন্ধ করে দেব। মার্কিন ব্যবস্থাপনাকে পুরোপুরি সামলে নেওয়ার সুযোগ করে দেব। বাইডেনের আমলে যত অবৈধ অনুপ্রবেশ ঘটেছে, তা বাতিল করব। আমেরিকার জন্য যারা গুরুত্বপূর্ণ নয়, যারা আমাদের দেশকে ভালবাসতে পারে না, তাদের সরিয়ে দেব।’’ যাঁরা মার্কিন নাগরিক নন, তাঁদের সরকারি সুযোগসুবিধাও বন্ধ করে দেবেন বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। আমেরিকা থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হবে তাঁদেরও, যাঁরা পশ্চিমি সংস্কৃতির সঙ্গে মানানসই নন এবং মার্কিন নাগরিকদের নিরাপত্তা যাঁদের জন্য বিঘ্নিত হতে পারে।
তৃতীয় বিশ্বের দেশ কারা
‘তৃতীয় বিশ্বের দেশ’ শব্দগুলি বর্তমান প্রেক্ষিতে অপ্রচলিত। ঠান্ডা লড়াই চলাকালীন পুঁজিবাদী ‘প্রথম বিশ্ব’ এবং সমাজবাদী ‘দ্বিতীয় বিশ্বের’ কোনও পক্ষের সঙ্গেই যে সমস্ত দেশ হাত মেলায়নি, তাদের ‘তৃতীয় বিশ্ব’ বলা হত। তবে বর্তমানে তীব্র দারিদ্র, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তাপূর্ণ দেশগুলিকে কেউ কেউ ‘তৃতীয় বিশ্ব’ বলে উল্লেখ করেন। আফগানিস্তানের পাশাপাশি এশিয়া ও আফ্রিকার অনেক দেশ সেই তালিকায় রয়েছে। ট্রাম্পের কাদের জন্য অভিবাসন বন্ধ করতে চান, তা স্পষ্ট করেননি।
আন্তজার্তিক ডেস্ক